এইমাত্র

আরও খবর

News Photocard (27)
মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন ইশরাক,মাদক বিরোধী অভিযান নিয়ে অবস্থানে অনড়
News Photocard (15)
বাংলাদেশে ৪৫ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা কানাডার
News Photocard (12)
আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, বাড়ছে ঋণের চাপ
News Photocard
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: বুকিংয়ের নথি আছে, খোঁজ নেই তুহিনের পরিবারের
News Photocard (37)
ডেসকোর প্রি-পেইড গ্রাহকদের জন্য বিশেষ অনুরোধ

দুপুরে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক

দুপুরে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। সোমবার দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা ও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন। সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। মাদকবিরোধী অভিযানে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনার মধ্যে এই ঘোষণা এলেও পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কারণ তিনি পোস্টে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেননি।

ইশরাক হোসেনের ঘোষণার পাশাপাশি তাঁর আগের রাতের ফেসবুক পোস্টও আলোচনায় এসেছে। সেখানে মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের পদত্যাগ বা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এর আগে শনিবার ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে তাঁর অংশগ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সেই ভিডিওতে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তাঁর উপস্থিতি এবং অভিযানে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসে।

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ: দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঘোষণা

সোমবার সকালে ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে ইশরাক হোসেন জানান, দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নিজের পোস্টে ইশরাক লেখেন, তিনি নির্ধারিত সময়ে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন। বক্তব্যের শেষে তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।

তাঁর এই ঘোষণায় দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। প্রথমত, তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তবে ঘোষণার আগে তাঁর পদত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে কি না, তা দেওয়া তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

পদত্যাগের ঘোষণা এবং আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া বা তা কার্যকর হওয়ার বিষয় এক নয়। তাই তাঁর ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

ফেসবুক পোস্টে আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদী আদর্শ নিয়ে বক্তব্য

পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি ফেসবুক পোস্টে কিছু সমালোচনামূলক মন্তব্যও করেছেন ইশরাক হোসেন। তিনি লিখেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মানুষকে তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করতে দেখেছেন। ভবিষ্যতে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হলে তাঁদের জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তিনি।

তাঁর এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার সময় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া প্রতিক্রিয়ার বিষয়টিও সামনে এনেছেন। তবে কাদের উদ্দেশে তিনি মন্তব্য করেছেন, পোস্টে তাঁদের নির্দিষ্ট পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি।

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ইশরাকের পোস্টেও সেই প্রতিক্রিয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। তবে তাঁর বক্তব্যের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা

ইশরাক হোসেন তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন, প্রতিমন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে আরও বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করতে চান।

তিনি বলেন, পদে না থেকেও মাদকবিরোধী কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এ ক্ষেত্রে তিনি নিজের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে বিএনপির কর্মী হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

পোস্টের শেষ অংশে তিনি পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আরও জোরদার করার কথা বলেন। পাশাপাশি দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন জেলা সফরের পরিকল্পনার কথাও জানান।

তাঁর বক্তব্যে মাদক নির্মূলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পোস্টের শেষাংশে তিনি বারবার মাদক নির্মূলের কথা উল্লেখ করেন। এতে বোঝা যায়, সরকারি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে নিজের ভবিষ্যৎ কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরছেন তিনি।

তবে এসব কর্মসূচি কীভাবে পরিচালিত হবে, কোন কোন জেলায় সফর করবেন কিংবা মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তাঁর সাংগঠনিক পরিকল্পনা কী হবে—এসব বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

আগের রাতেও পদত্যাগ নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ইশরাক

সোমবার দুপুরে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানানোর আগে রোববার দিবাগত রাতেও পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন ইশরাক হোসেন।

রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগ কিংবা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশ কার্যকর হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

ইশরাকের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা হলে বা অন্য কোনো নির্দেশ দেওয়া হলে তা প্রচলিত প্রক্রিয়ায় বাধ্যতামূলকভাবে কিংবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হওয়ার কথা।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তৃতীয় বা চতুর্থ কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার প্রয়োজন নেই। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় অথবা তাঁর নিজের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীকে বিস্তারিত জানানো হবে।

রাতের পোস্টে তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়া এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জনগণকে জানানোর বিষয়টি। পরদিন সকালে তিনি নির্দিষ্ট সময় ও স্থান উল্লেখ করে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানান।

এই ধারাবাহিকতায় রাতের পোস্ট ও সকালের ঘোষণাকে একই ঘটনার পরবর্তী বক্তব্য হিসেবে দেখা যায়। তবে রাতের পোস্টে কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশের কথা বলা হয়েছিল কি না, কিংবা সেটিই পদত্যাগের প্রত্যক্ষ কারণ কি না, তা প্রকাশিত তথ্য থেকে নিশ্চিত করা যায় না।

গেণ্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে কী ঘটেছিল?

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘোষণার আগে শনিবার বিকেলে ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ঘটনা আলোচনায় আসে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিকেলে গেণ্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় অভিযানে যান ইশরাক। তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে অভিযানের দৃশ্য দেখা যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে তিনি আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করে কয়েকজনকে ধরার নির্দেশ দিচ্ছেন। এ সময় তাঁর পাশ থেকে আরেক ব্যক্তিকে গুলি করার হুমকিসূচক কথা বলতে শোনা যায়।

ভিডিওতে ইশরাকের সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীদের কয়েকজনকে কিছু ব্যক্তিকে ধরতে দৌড়াতে দেখা যায়। তাঁদের একজনকে এক তরুণকে লাথি মারতেও দেখা যায়। একই সময় কয়েকজনকে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ইশরাককে উদ্দেশ করে কথা বলতে শোনা যায়। তাঁদের একজন নিজেকে দরিদ্র ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অন্য একটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।

প্রকাশিত ভিডিওগুলোর এসব দৃশ্য অভিযান পরিচালনার ধরন নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে ভিডিওতে দেখা প্রতিটি ব্যক্তির পরিচয়, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রকৃতি এবং অভিযানের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রদত্ত তথ্যে বিস্তারিত বিবরণ নেই।

অভিযানে থাকা দেহরক্ষী ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তথ্য

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবারের অভিযানের সময় ইশরাক হোসেনের সঙ্গে তাঁর নিজের নিয়োগ দেওয়া দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলু ছিলেন। তাঁদের পাশাপাশি একজন সরকারি দেহরক্ষীও উপস্থিত ছিলেন।

নিজের নিয়োগ দেওয়া দেহরক্ষীদের কাছেও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ভিডিওর কিছু অংশে ইশরাকের হাতে থাকা পিস্তল অস্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। তবে অন্য কিছু অংশে অস্ত্রটি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

এ ছাড়া ভিডিওতে গুলি করার হুমকিসূচক বক্তব্য দেওয়া ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। ফলে ওই বক্তব্যটি কে দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের ঘটনায় ভিডিওর দৃশ্য, প্রত্যক্ষভাবে শনাক্ত করা ব্যক্তির পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য আলাদাভাবে বিবেচনা করা জরুরি। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা সম্ভাব্য আইনি দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো প্রয়োজন।

পদত্যাগের ঘোষণার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তাৎপর্য

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তাঁর অংশগ্রহণে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে প্রকাশিত ভিডিও আলোচনায় রয়েছে। তবে এই দুটি ঘটনার মধ্যে সরাসরি কারণগত সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তাঁর ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট করা হয়নি।

একজন প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনিক দিক থেকে পদত্যাগের ঘোষণা, আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র এবং পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়া পৃথক বিষয়। রাজনৈতিক দিক থেকে সরকারি দায়িত্ব ছাড়ার পরও দলীয় পরিচয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার যে পরিকল্পনা ইশরাক জানিয়েছেন, তা তাঁর ভবিষ্যৎ ভূমিকার বিষয়ে একটি ইঙ্গিত দেয়।

ইশরাকের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি বিএনপির কর্মী হিসেবে মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চান। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি জোরদার এবং প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে জেলা সফরের পরিকল্পনার কথাও বলেছেন।

তবে তাঁর পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক অবস্থা, দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির বিস্তারিত জানতে তাঁর ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন ও পরবর্তী আনুষ্ঠানিক তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।

এখন যেসব বিষয়ে স্পষ্টতা প্রয়োজন

ইশরাক হোসেনের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

  • আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ: তিনি দুপুর ২টায় চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

  • পদত্যাগের কারণ: তাঁর পোস্টে পদত্যাগের নির্দিষ্ট কারণ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

  • মাদকবিরোধী কার্যক্রম: সরকারি পদ ছাড়ার পর বিএনপির কর্মী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছেন তিনি।

  • শনিবারের অভিযান: প্রকাশিত ভিডিওতে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তাঁর উপস্থিতি এবং অভিযানে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ দেখা গেছে। তবে ভিডিওতে উল্লিখিত সব ব্যক্তির পরিচয় বা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত নিশ্চিত নয়।

  • পরবর্তী বক্তব্য: জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সামনে দেওয়া তাঁর বক্তব্য থেকে পদত্যাগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

ইশরাক হোসেন সোমবার দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আগের রাতে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগের প্রক্রিয়া নিয়ে মন্তব্য করার পর সকালে তিনি নির্দিষ্ট সময় ও স্থান উল্লেখ করেন।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সরকারি পদে না থাকলেও বিএনপির কর্মী হিসেবে মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি জোরদার এবং প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে জেলা সফরের পরিকল্পনার কথাও বলেছেন তিনি।

অন্যদিকে, শনিবার গেণ্ডারিয়ার মাদকবিরোধী অভিযানে তাঁর উপস্থিতি এবং প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা বিভিন্ন দৃশ্য ঘটনাটিকে আরও আলোচনায় এনেছে। তবে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ওই অভিযানের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

তাই ইশরাকের ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন, পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী বক্তব্যের দিকে নজর থাকবে।

সর্বাধিক পঠিত