কানাডা ওয়ার্ক পারমিট প্রসেসিং টাইম জানার নিয়মে এসেছে বড় পরিবর্তন। নতুন পারসোনালাইজড টুলে আবেদনকারীরা নিজের ফাইলের সম্ভাব্য অপেক্ষার সময় ও অগ্রগতি বুঝতে পারবেন।
কানাডায় ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ বাড়ানো কিংবা পড়াশোনা শেষে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক পারমিটের জন্য যারা মাসের পর মাস অনিশ্চয়তায় দিন গুনতেন, তাদের জন্য এলো বড় ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তন। এতদিন ঢালাওভাবে একটি সাধারণ গড় সময় দেখানো হলেও, এখন থেকে আবেদনকারীরা জানতে পারবেন তাদের নিজ ফাইলের জন্য ঠিক কতদিন অপেক্ষা করতে হবে। আইআরসিসি-র চালু করা নতুন এই ‘পারসোনালাইজড প্রসেসিং টাইম’ কীভাবে কাজ করছে এবং আগের তুলনায় কী বদল এলো—তা নিয়ে বিস্তারিত শিকড় টিভির বিশেষ ফলো-আপ প্রতিবেদন…।

কানাডায় কাজের বৈধতা নবায়ন কিংবা সদ্য পাস করা গ্র্যাজুয়েটদের কর্মজীবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের নাম ছিল পারমিট নিষ্পত্তির দীর্ঘসূত্রতা। এতদিন আইআরসিসি-র ওয়েবসাইটে কেবল পুরো দেশের জন্য একটি সাধারণ গড় সময়সীমা দেখানো হতো—যেখানে আবেদনকারী জানতেন না তার ফাইলের কাজ ঠিক কতদূর এগিয়েছে। সেই ধোঁয়াশা কাটাতেই চালু হলো ব্যক্তিগত প্রসেসিং টাইম দেখার নতুন সরকারি ব্যবস্থা।
নতুন এই টুলের সবচেয়ে বড় সুবিধা পাবেন কানাডার ভেতর থেকে প্রথমবার পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক পারমিট বা পিজিডব্লিউপি আবেদনকারী এবং বর্তমান ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনকারীরা। এতদিন কোনো নির্দিষ্ট টাইমলাইন না থাকায় অনেক নিয়োগকর্তা কর্মীদের কাজের বৈধতা নিয়ে দ্বিধায় পড়তেন। এখন আবেদনকারী নিজেই তার সম্ভাব্য নিষ্পত্তির তারিখ দেখিয়ে কর্মক্ষেত্রে বাড়তি নিশ্চয়তা তৈরি করতে পারবেন।
ফলে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, নতুন এই টুলে সম্ভাব্য তারিখ যা-ই দেখাক না কেন—বর্তমান পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নিয়মমাফিক নির্ভুল আবেদন জমা রেখে নিজের ‘মেইনটেইনড স্ট্যাটাস’ নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
প্রশাসনিক জটিলতা রাতারাতি দূর না হলেও, এই নতুন ফিচার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও বিদেশি কর্মীদের দীর্ঘ অপেক্ষার মানসিক চাপ অনেকাংশেই কমিয়ে দেবে। তবে মনে রাখা জরুরি—অতিরিক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই বা তথ্যের অসম্পূর্ণতা থাকলে এই সময়সীমা যেকোনো মুহূর্তে বদলে যেতে পারে।





