এইমাত্র

আরও খবর

News Photocard (28)
মেসিহীন আর্জেন্টিনার নতুন যাত্রার প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত
News Photocard (8)
টেস্ট ক্রিকেটে ‘চা-বিরতি’ শুরু হয়েছিল যেভাবে
News Photocard (16)
মেসির কীর্তি ভেঙে রোনালদোয় চোখ কেইনের
News Photocard (6)
বাংলাদেশ সফরের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দল ঘোষণা, কে আছেন, কে নেই
News Photocard (6)
হামজাকে ছাড়াই সাফ শুরু করবে বাংলাদেশ

রেফারির পকেটে আর লাল-হলুদ কার্ড নয়, থাকবে যন্ত্র!

রেফারির পকেটে আর লাল-হলুদ কার্ড নয়, থাকবে যন্ত্র! উরুগুয়েতে পরীক্ষামূলক ব্যবহারে রেফারিরা ইলেকট্রনিক যন্ত্রে দেখাচ্ছেন হলুদ ও লাল কার্ড, কমছে নথিভুক্তির ঝামেলা।

ফুটবল ম্যাচে খেলোয়াড়দের সতর্ক করা কিংবা মাঠ থেকে বহিষ্কারের জন্য রেফারির হাতে হলুদ ও লাল কার্ড দেখা দীর্ঘদিনের পরিচিত দৃশ্য। তবে ডিজিটাল কার্ড প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই প্রচলিত ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার পরীক্ষা শুরু হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর উরুগুয়ের কোপা এইউএফ উরুগুয়ে টুর্নামেন্টে ন্যাসিওনাল ও রেন্তিস্তাসের ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে ইলেকট্রনিক কার্ড ব্যবহার করেন রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা। স্মার্টফোনের মতো দেখতে একটি যন্ত্র দিয়ে খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখানোর মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিটির মাঠপর্যায়ের ব্যবহার সামনে আসে।

উরুগুয়ের এই পরীক্ষায় শুধু কাগজের কার্ডের বিকল্প হিসেবে নতুন একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয়নি; ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনা ডিজিটালভাবে নথিভুক্ত করার ব্যবস্থাও যুক্ত রয়েছে। ফলে রেফারির সিদ্ধান্ত সংরক্ষণ এবং ম্যাচের তথ্য লিপিবদ্ধ করার কাজে প্রযুক্তিটি কীভাবে সহায়তা করতে পারে, তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে প্রাথমিক পরীক্ষায় কিছু সীমাবদ্ধতাও ধরা পড়েছে। তাই এখনই প্রচলিত হলুদ ও লাল কার্ড পুরোপুরি তুলে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

ডিজিটাল কার্ড প্রযুক্তি: উরুগুয়েতে পরীক্ষামূলক ব্যবহার

ফুটবলে প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নয়। বিভিন্ন সময়ে ম্যাচ পরিচালনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তথ্য সংরক্ষণের কাজে প্রযুক্তির ভূমিকা বেড়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার রেফারির হাতে থাকা পরিচিত কাগজের কার্ডের বিকল্প হিসেবে এসেছে ইলেকট্রনিক যন্ত্র।

গত ১৫ অক্টোবর উরুগুয়ের কোপা এইউএফ উরুগুয়ে টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে ন্যাসিওনাল ও রেন্তিস্তাস মুখোমুখি হয়। ম্যাচটিতে পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল কার্ড ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করেন রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা।

যন্ত্রটি দেখতে অনেকটা স্মার্টফোনের মতো। এর মাধ্যমে রেফারি খেলোয়াড়দের শাস্তি জানানোর পাশাপাশি ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও নথিভুক্ত করতে পারেন। কাগজের কার্ড হাতে নিয়ে দেখানোর পরিবর্তে ইলেকট্রনিক পর্দায় কার্ডের সংকেত প্রদর্শন করাই এই ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

উরুগুয়ের এই উদ্যোগ ফুটবল পরিচালনায় প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে একটি পরীক্ষামূলক ম্যাচের অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরো ব্যবস্থার কার্যকারিতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

ম্যাচে প্রথম হলুদ কার্ড দেখানোর ঘটনা

ন্যাসিওনাল ও রেন্তিস্তাসের ম্যাচে ডিজিটাল কার্ড ব্যবহারের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে খেলার ১২ মিনিটে। ওই সময় রেন্তিস্তাসের খেলোয়াড় হুয়ান পাবলো প্লাদাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা।

ন্যাসিওনালের খেলোয়াড় ম্যাক্সি সিলভেরার ওপর ফাউল করার কারণে এই শাস্তি পান প্লাদা। প্রচলিত কাগজের কার্ডের পরিবর্তে রেফারি স্মার্টফোনের মতো দেখতে ইলেকট্রনিক যন্ত্রটি ব্যবহার করেন।

ম্যাচটি শেষ হয় ন্যাসিওনালের ৩-০ গোলের জয়ে। ফলে খেলাটিতে ডিজিটাল কার্ড ব্যবহারের অভিজ্ঞতা পাওয়ার পাশাপাশি ম্যাচের ফলাফলও স্পষ্ট হয়।

এই ঘটনার মাধ্যমে পরীক্ষামূলক ব্যবস্থাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে: রেফারি পরিচিত শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন, তবে সেটি জানানোর মাধ্যম ছিল আলাদা। অর্থাৎ, কার্ডের রং ও শাস্তির প্রচলিত অর্থ পরিবর্তন না করে তা প্রদর্শনের পদ্ধতিতে প্রযুক্তিগত বিকল্প আনার চেষ্টা চলছে।

কীভাবে কাজ করবে ইলেকট্রনিক কার্ড?

নতুন যন্ত্রটিতে দুটি বোতাম রয়েছে। একটি বোতাম ব্যবহার করে হলুদ কার্ড এবং অন্যটি দিয়ে লাল কার্ড দেখানো যায়। ফলে রেফারি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কার্ডের সংকেত প্রদর্শন করতে পারেন।

তবে এই যন্ত্রের কার্যকারিতা কেবল কার্ড দেখানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ‘কোমেট’ (COMET) ব্যবস্থায় নথিভুক্ত হয়।

ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের সঠিক তথ্য সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। প্রচলিত পদ্ধতিতে বিভিন্ন ঘটনা হাতে লিখে রাখার প্রয়োজন হতে পারে। ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে সেই তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত হলে রেফারির কাজের একটি অংশ সহজ হতে পারে।

এখানে প্রযুক্তিটির দুটি পৃথক সুবিধা দেখা যায়। প্রথমত, কার্ড দেখানোর জন্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, শাস্তিসংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থায় সংরক্ষিত হচ্ছে। এই দুই সুবিধা একসঙ্গে কাজ করলে ম্যাচ পরিচালনার তথ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসতে পারে।

শুধু হলুদ-লাল কার্ড নয়, আরও তথ্য নথিভুক্ত করা যাবে

ডিজিটাল কার্ড প্রযুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনা নথিভুক্ত করার সুযোগ। যন্ত্রটির মাধ্যমে গোল, পেনাল্টি এবং খেলোয়াড় পরিবর্তনের মতো ঘটনাও রেকর্ড করা সম্ভব।

ফুটবল ম্যাচে শুধু শাস্তির সিদ্ধান্ত নয়, আরও নানা তথ্য সংরক্ষণ করতে হয়। কোন সময়ে কী ঘটনা ঘটেছে, কখন খেলোয়াড় পরিবর্তন হয়েছে কিংবা কখন পেনাল্টির সিদ্ধান্ত এসেছে—এসব তথ্য ম্যাচের সামগ্রিক বিবরণ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ।

যন্ত্রটির মাধ্যমে এসব ঘটনা নথিভুক্ত করা গেলে রেফারির হাতে লিখে তথ্য টুকে রাখার প্রয়োজন কমতে পারে। একই সঙ্গে ম্যাচের তথ্য সংরক্ষণের প্রক্রিয়াও আরও সহজ হতে পারে।

তবে এসব সুবিধার বাস্তব কার্যকারিতা কতটা, তা নির্ভর করবে মাঠের পরিস্থিতিতে যন্ত্রটি কতটা নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে তার ওপর। পরীক্ষামূলক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকে সম্ভাব্য সুবিধা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেলেও সব পরিস্থিতিতে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত হয়েছে—এমন তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষায় ধরা পড়েছে যে সীমাবদ্ধতা

নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনা থাকলেও উরুগুয়ের পরীক্ষায় কিছু সমস্যার বিষয় সামনে এসেছে। বিশেষ করে দূর থেকে যন্ত্রটির পর্দার রং স্পষ্টভাবে দেখা কঠিন হতে পারে।

তীব্র সূর্যের আলোয় এই সমস্যা আরও বেশি দেখা দিতে পারে। ফুটবল মাঠে রেফারি, খেলোয়াড় এবং ম্যাচসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিভিন্ন অবস্থান থেকে কার্ডের সংকেত দৃশ্যমান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পর্দায় প্রদর্শিত রং যদি সহজে বোঝা না যায়, তাহলে নতুন ব্যবস্থাটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসুবিধা তৈরি হতে পারে।

এই সীমাবদ্ধতা থেকে বোঝা যায়, কেবল প্রযুক্তিগতভাবে কার্ড প্রদর্শন করতে পারলেই সেটিকে প্রচলিত ব্যবস্থার কার্যকর বিকল্প বলা যায় না। মাঠের আলো, দূরত্ব এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে দৃশ্যমানতার বিষয়গুলোও বিবেচনায় রাখতে হবে।

তাই পরীক্ষামূলক ব্যবহার থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা প্রযুক্তিটির পরবর্তী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে কোন পরিবর্তনের মাধ্যমে সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যের বাইরে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

কাগজের কার্ড কি এখনই উঠে যাচ্ছে?

প্রাথমিক পরীক্ষায় সীমাবদ্ধতা ধরা পড়ায় আপাতত প্রচলিত কাগজের হলুদ ও লাল কার্ডের জায়গা পুরোপুরি নিচ্ছে না ডিজিটাল ব্যবস্থা। অর্থাৎ, রেফারির হাতে থাকা কার্ডের পরিবর্তন এখনো পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হলুদ কার্ড সতর্ক করার এবং লাল কার্ড মাঠ থেকে বহিষ্কারের সংকেত হিসেবে পরিচিত। নতুন যন্ত্রটি এই শাস্তির সংকেত প্রদর্শনের বিকল্প মাধ্যম তৈরি করছে। কিন্তু সেটি নিয়মিত ব্যবহারের উপযোগী করতে হলে দৃশ্যমানতা ও ব্যবহারিক সুবিধার মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন।

প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতে আরও উন্নত হলে রেফারির কাজের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে সিদ্ধান্ত নথিভুক্ত করার কাজ স্বয়ংক্রিয় হওয়ায় হাতে লেখা তথ্য সংরক্ষণের ঝামেলা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে ভবিষ্যতে সব প্রতিযোগিতায় এই যন্ত্র ব্যবহার করা হবে কি না, কিংবা কবে থেকে প্রচলিত কার্ডের পরিবর্তে এটি নিয়মিতভাবে চালু হবে, তা দেওয়া তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

ফুটবল পরিচালনায় প্রযুক্তির নতুন সম্ভাবনা

ডিজিটাল কার্ডের পরীক্ষাটি ফুটবল পরিচালনায় প্রযুক্তির আরও একটি সম্ভাব্য প্রয়োগ তুলে ধরেছে। এখানে প্রযুক্তি শুধু দর্শকদের জন্য দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন আনছে না; রেফারির সিদ্ধান্ত এবং ম্যাচের তথ্য সংরক্ষণের প্রক্রিয়াতেও ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করছে।

প্রচলিত কার্ডের ব্যবহার সহজ ও পরিচিত হলেও ডিজিটাল যন্ত্রে একাধিক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। কার্ড প্রদর্শন, শাস্তির সিদ্ধান্ত নথিভুক্ত করা এবং গোল বা খেলোয়াড় পরিবর্তনের মতো ঘটনা রেকর্ড করার সুবিধা একই যন্ত্রে যুক্ত থাকায় এটি ম্যাচ পরিচালনার তথ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হতে পারে।

তবে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যতা ও ব্যবহারিক সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ। তীব্র আলোয় পর্দার রং স্পষ্ট না দেখার মতো সমস্যা সমাধান করা না গেলে মাঠে এর ব্যবহার সীমিত হতে পারে। ফলে পরীক্ষামূলক অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন—দুই বিষয়ই পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উরুগুয়ের পরীক্ষায় আপাতত এটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে কাগজের কার্ডের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব এবং এর মাধ্যমে ম্যাচের তথ্য নথিভুক্ত করার বাড়তি সুবিধাও পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু প্রচলিত কার্ড পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার আগে আরও কার্যকারিতা যাচাই প্রয়োজন হতে পারে।

উরুগুয়ের পরীক্ষামূলক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে ডিজিটাল কার্ড ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। যন্ত্রটি আরও কার্যকর হলে রেফারির পকেটে কাগজের কার্ডের বদলে ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইস রাখার ধারণা বাস্তব রূপ পেতে পারে।

এই ব্যবস্থায় শাস্তি অনুযায়ী যন্ত্রের পর্দায় হলুদ বা লাল কার্ডের ছবি ভেসে উঠবে। একই সঙ্গে ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনা নথিভুক্ত করার সুবিধাও থাকবে। ফলে রেফারির কাজের কিছু অংশ আরও সহজ ও সুসংগঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে প্রযুক্তিটির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে পরীক্ষায় চিহ্নিত সীমাবদ্ধতা কতটা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায় তার ওপর। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উরুগুয়েতে পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হলেও প্রচলিত কার্ডের সম্পূর্ণ বিকল্প হিসেবে ডিজিটাল যন্ত্রের ব্যবহার এখনো নিশ্চিত নয়।

ফুটবলে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ধারায় এটি একটি নতুন পরীক্ষা। এর ফলাফল ভবিষ্যতে রেফারির সরঞ্জাম ও ম্যাচের তথ্য ব্যবস্থাপনায় কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে, সে বিষয়ে আগ্রহ তৈরি করেছে।

সর্বাধিক পঠিত